শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ
গুম-খুনের শিকারের দায় রাষ্ট্র এড়াতে পারে না : তারেক রহমান ‘জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে, নতুন বাংলাদেশের পক্ষে’ গত দেড় দশকে বিপুল অর্থ পাচার ও লুটপাট হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা গুমের শিকার পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় বেলুচিস্তানে সন্ত্রাসী হামলা: নিরাপত্তা বাহিনীর জবাবে ১২ সন্ত্রাসী নিহত হাসপাতালে মাহমুদুর রহমান মান্না অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আন্তর্জাতিক কোনো চাপ নেই: প্রেস সচিব ‘হ্যাঁ’ ভোটে জনগণের আশার প্রতিফলন ঘটবে: অর্থ উপদেষ্টা খালেদা জিয়া আত্মত্যাগী ও দেশপ্রেমিক ছিলেন: আসিফ নজরুল জামায়াত জোট ত্যাগ, ২৬৮ আসনে নির্বাচন করবে ইসলামী আন্দোলন

স্কুলে এখনো সাড়ে ৮ লাখ আসন ফাঁকা, ভর্তি করা যাবে যেভাবে

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তির সময়সীমা গত ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়। এরপরও প্রায় ৮ লাখেরও বেশি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে ১৪ হাজার এবং বেসরকারিতে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ আসন শূন্য।

অথচ অসংখ্য শিক্ষার্থী আবেদন করেও পছন্দের বা কিছুটা ভালো বিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়নি। ভর্তির সুযোগ না পাওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিতে নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

মাউশি বলছে, ভর্তিযোগ্য শিক্ষার্থী থাকলে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসন ফাঁকা রাখা যাবে না। লটারিতে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকাদের মধ্য থেকে ভর্তি নিতে হবে। তারপরও যদি আসন শূন্য থাকে, তাহলে মাউশির অনুমোদন নিয়ে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় স্ব স্ব স্কুল লটারির আয়োজন করবে। লটারি ছাড়া কোনোভাবেই শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না।

মাউশি সূত্র জানায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন পরিচালিত সারাদেশের সরকারি বিদ্যালয়গুলোতে এবার মোট ১ লাখ ২১ হাজার ৫৯৬টি আসন শূন্য ছিল। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছিল ৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৮টি। লটারির মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৫২১ জন। এতে আসন ফাঁকা রয়েছে ১৪ হাজার ৭৫টি।

অন্যদিকে বেসরকারি স্কুলে ১০ লাখ ৭২ হাজার ৯১৭টি আসনের বিপরীতে ভর্তির আবেদন করেছিল ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬ জন। ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৯৭৮ জন। এ অবস্থায় সাড়ে ৮ লাখের মতো আসন ফাঁকা রয়েছে।

শূন্য আসনে ভর্তি কীভাবে

স্কুলগুলোতে শূন্য আসনে কীভাবে ভর্তি নেওয়া হবে, তা নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। অনেকে ভর্তিতে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন।

তবে মাউশি বলছে, কোনো স্কুলই নিয়মের বাইরে ভর্তি করাতে পারবে না। কেউ যদি ভর্তি নীতিমালা না মেনে ভর্তি করে, তাহলে সেই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

মাউশির মাধ্যমিক বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বলেন, কেন্দ্রীয় ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর স্কুলগুলোতে যেসব আসন এখনো শূন্য, সেগুলো পূরণের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ মাউশির অনুমতি সাপেক্ষে নিজস্ব উদ্যোগে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। এ প্রক্রিয়া চলাকালীন স্বচ্ছতা বজায় রাখতে অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন।

তিনি বলেন, ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে মূলত স্কুল কর্তৃপক্ষ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। কেন্দ্রীয়ভাবে নির্ধারিত ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর অবশিষ্ট শূন্য আসন পূরণের ক্ষেত্রে এ বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে।

অধ্যাপক মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল আরও বলেন, শূন্য আসনে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রথমত যারা আগে থেকেই অপেক্ষমাণ তালিকায় আছে, প্রতিষ্ঠান চাইলে তাদের মধ্য থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারবে। তবে যদি অপেক্ষমাণ তালিকায় কোনো শিক্ষার্থী না থাকে এবং নতুন কোনো শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য আবেদন করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই পুনরায় লটারির মাধ্যমে মেধা যাচাই করে তাকে ভর্তি করাতে হবে। লটারি ছাড়া সরাসরি ভর্তির কোনো সুযোগ নেই।

বাংলা৭১নিউজ/এসএকে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2018-2025
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com