গাইবান্ধায় বিপন্ন প্রজাতির ‘হিমালয়ান গৃধিনী’ শকুন উদ্ধার করা হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কছিম বাজার এলাকা থেকে শকুনটি উদ্ধার করা হয়।
শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন ‘টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ’ (তীর)-এর সদস্যরা শকুনটিকে উদ্ধার করে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রংপুর বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেন।
স্থানীয়রা জানান, রোববার (৪ জানুয়ারি) সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সীচা-কছিম বাজার এলাকার বাসিন্দা আমিন হোসেনের জমিতে শকুনটিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে সোমবার ভোরে ‘তীর’ গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তারা স্থানীয়দের সহায়তায় শকুনটিকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা বন বিভাগে নিয়ে যান এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করেন। শকুনটি উদ্ধারের সময় উপস্থিত ছিলেন তীরের গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি জিসান মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মেজবাহুল হক, কার্যকরী সদস্য নিফাউল ইসলাম, সদস্য কাশফিহা খানম এবং সাইমুম ইসলামসহ সংগঠনের সদস্যবৃন্দসহ অন্যরা।
প্রকৃতি সংরক্ষণবিষয়ক সংস্থাগুলোর জোট আইইউসিএন-এর প্রোগ্রাম অ্যাসিস্ট্যান্ট সুলতান আহমেদ জানান, হিমালয়ের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা ও হিমঝড় সহ্য করতে না পেরে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে এই শকুনগুলো সমতলের দিকে চলে আসে। দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ক্লান্ত হয়ে বিশ্রাম নেওয়ার সময় তারা অনেক সময় উড়তে পারে না, যাকে স্থানীয়রা অসুস্থতা ভেবে ভুল করেন।
তীরের উপদেষ্টা প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান বলেন, প্রকৃতির ঝাড়ুদার হিসেবে পরিচিত এই পাখিগুলো মৃত পশুর মাংস খেয়ে পরিবেশকে রোগব্যাধি থেকে মুক্ত রাখে।
তীর গাইবান্ধার সভাপতি মোশারফ হোসেন জানান, গাইবান্ধা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের পরামর্শে শকুনটিকে রংপুর বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের ‘শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যাকেন্দ্রে’ পাঠানো হবে।
বাংলা৭১নিউজ/জেএস
উপদেষ্টা সম্পাদক : সাখাওয়াত হোসেন বাদশা, প্রধান সম্পাদকঃ তাজিন মাহমুদ, সম্পাদক: ডা: সাদিয়া হোসেন, যোগাযোগঃ ৪/এ,ইন্দিরা রোড, মাহবুব প্লাজা (২য় তলা) ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ ।মোবাইল: ০১৯৭১-১৯৩৯৩৪, ০১৫৫২-৩১৮৩৩৯, ই-মেইল: [email protected]; [email protected]। ওয়েব:www.bangla71news.com
© All rights reserved © 2018-2025