ঢাকা ১০:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo চট্টগ্রামের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ১৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ Logo ভারতীয় ভিসা আবেদনে নতুন নির্দেশনা Logo কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী Logo হত্যা মামলায় সাংবাদিক ইকবাল সোবহান চৌধুরী কারাগারে Logo নতুন কুঁড়ির সেরা ৪০ জনকে স্থায়ীভাবে বিকেএসপিতে ভর্তির আমন্ত্রণপত্র দিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী Logo বন্যা ও ভূমিধসে আক্রান্ত সাড়ে ৭৬ কোটি মানুষ, ৯৯ শতাংশই নিম্ন আয়ের দেশে Logo এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন Logo এবার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দিলীপ আগরওয়ালার ২ দিনের রিমান্ড Logo হাসিনার রেখে যাওয়া সন্ত্রাসীরা গার্মেন্টসে আগুন দিচ্ছেন : রিজভী

দুই কাস্টমস কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানি ও আত্মসাতের অভিযোগে কাস্টমসের সাবেক দুই কর্মকর্তা ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত চার্জশিটের আসামিরা হলেন- ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা আ. রউফ সরকার ও মো. হারুন-অর-রশীদ ও আমদানিকারক মামুন হাওলাদার।

যদিও, মামলার ওই তিন আসামিসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১৯ জুন ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক সুভাষ চন্দ্র দত্ত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে তদন্তকালে প্রমাণ না পাওয়ায় মামলা থেকে চার আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন উপ-সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান।

মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রক দপ্তরের নিযন্ত্রক মো. আওলাদ হোসেন, সহকারী নিয়ন্ত্রক মো. মামুন ইফতেখার রহমান ও মোছা. ফাতেমা খাতুন এবং উপ-নিয়ন্ত্রক মনিরুজ্জামান খান।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজে অন্যায়ভাবে লাভবান হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে যাত্রী মামুন হাওলাদার কর্তৃক আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানি করে। তারা অবৈধভাবে আনা মেমোরি কার্ডের ইনভয়েস গোপন করে অতি অল্প সময়ে ২ লাখ ১০ হাজার পিস মেমোরি কার্ড গণনা ছাড়াই গণনা দেখিয়ে খালাস যোগ্য হিসাবে প্রত্যয়ন করেন।

যাত্রী মামুন হাওলাদার আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে ক্লিয়ারেন্স পারমিট প্রাপ্তির আবেদন করে পণ্য ছাড় করে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্লিয়ারেন্স পারমিট দেন এবং আটক করা ব্যাগেজের মেমোরি কার্ড অবৈধভাবে আত্মসাৎ করে দণ্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের ২ নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরকে

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামের স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের ১৪ মিলিয়ন ডলার ঋণ

দুই কাস্টমস কর্মকর্তাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

আপডেট সময় ০৫:৪৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানি ও আত্মসাতের অভিযোগে কাস্টমসের সাবেক দুই কর্মকর্তা ও আমদানিকারকের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর জানায়, সম্প্রতি দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে ওই চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অনুমোদিত চার্জশিটের আসামিরা হলেন- ঢাকা কাস্টম হাউজের সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা আ. রউফ সরকার ও মো. হারুন-অর-রশীদ ও আমদানিকারক মামুন হাওলাদার।

যদিও, মামলার ওই তিন আসামিসহ মোট ৭ জনের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালের ১৯ জুন ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ সংস্থাটির উপ-পরিচালক সুভাষ চন্দ্র দত্ত বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

পরবর্তী সময়ে তদন্তকালে প্রমাণ না পাওয়ায় মামলা থেকে চার আসামিকে অব্যাহতি দিয়ে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন উপ-সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান।

মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রক দপ্তরের নিযন্ত্রক মো. আওলাদ হোসেন, সহকারী নিয়ন্ত্রক মো. মামুন ইফতেখার রহমান ও মোছা. ফাতেমা খাতুন এবং উপ-নিয়ন্ত্রক মনিরুজ্জামান খান।

তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নিজে অন্যায়ভাবে লাভবান হয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে যাত্রী মামুন হাওলাদার কর্তৃক আমদানি নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য আমদানি করে। তারা অবৈধভাবে আনা মেমোরি কার্ডের ইনভয়েস গোপন করে অতি অল্প সময়ে ২ লাখ ১০ হাজার পিস মেমোরি কার্ড গণনা ছাড়াই গণনা দেখিয়ে খালাস যোগ্য হিসাবে প্রত্যয়ন করেন।

যাত্রী মামুন হাওলাদার আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের দপ্তর হতে ক্লিয়ারেন্স পারমিট প্রাপ্তির আবেদন করে পণ্য ছাড় করে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ক্লিয়ারেন্স পারমিট দেন এবং আটক করা ব্যাগেজের মেমোরি কার্ড অবৈধভাবে আত্মসাৎ করে দণ্ডবিধি ৪০৯/১০৯ ধারা এবং ১৯৪৭ সনের ২ নং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বাংলা৭১নিউজ/আরকে