শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
স্বর্ণের দাম আরও বাড়ল এবার পোশাকে নায়িকাদের নাম ফুটিয়ে হাজির ভাবনা সোনালী আঁশের সুদিন ফিরিয়ে আনতে চাই: পাটমন্ত্রী অনিয়ম এড়াতে মোবাইল অ্যাপে চাল বিক্রি ৩০ দিনের মধ্যে শহীদ আনোয়ারা উদ্যান ফেরতের দাবি মাগুরায় রেলপথ শিগগিরই চালু হবে : রেলমন্ত্রী যিনি দেশ বিক্রি করতে চেয়েছিল আপনি তো ওনারই সন্তান হেফাজত নেতা মামুনুল হক ডিবিতে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশ প্রস্তুত: আইজিপি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে স্কুলসামগ্রী বিতরণ শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের জাল ভোট পড়লেই কেন্দ্র বন্ধ: ইসি হাবিব ইসলামী ব্যাংকের সঙ্গে অ্যাস্ট্রা এয়ারওয়েজের চুক্তি স্বাক্ষর ইসলামী ব্যাংকের মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন শুরু ডেপুটি গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশে বাধা নেই বেনাপোল-পেট্রাপোল দিয়ে ভারত ভ্রমণে তিনদিনের নিষেধাজ্ঞা ঢাবিতে বিষমুক্ত ফল নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন গোপালগঞ্জের সেপটিক ট্যাংকে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে ২ শ্রমিক নিহত দিল্লির তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে ভোট বর্জনই বিএনপির আন্দোলন: এ্যানি আফগানিস্তানে বন্যায় ৫০ জনের মৃত্যু

প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের নামে প্রতারণার মামলায় এফআরটি

বাংলা ৭১ নিউজ
  • আপলোড সময় মঙ্গলবার, ৩ জুলাই, ২০১৮
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের নামে প্রতারণা করে মোট ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় পুলিশের দাখিল করা ফাইনাল রিপোর্ট (এফআরটি) গ্রহণ করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. খুরশীদ আলম এই এফআরটি গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার মামলার সুপারিশ নাকচ করা হয়েছে। রমনা থানার ইন্সপেক্টর মো. সফিকুল ইসলাম মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় ওই এফআরটি দাখিল করেন।

আদালত সূত্র জানায়, রাজশাহী জেলার বাঘমারা মোহনপুর থেকে দুইবার নির্বাচিত সাবেক এমপি মো. আবু হেনা বাদী হয়ে গত বছরের ২৩ জুলাই রাজধানীর রমনা মডেল থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৫ সালে আসামি মো. কামরুল হাসান সুজন জানায় যে আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে হেনার মনোনয়ন নিশ্চিত।

২০০৮ সালে বিএনপি আমাকে মনোনয়ন না দেয়ায় এটা (আওয়ামী লীগের মনোনয়ন) সুখবর বলে মনে করেন হেনা। ইতোমধ্যেই ভ্যাট সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দেয়ায় অর্থ উপদেষ্টার একটি নতুন সৃষ্টির কথা শোনা যায়।

সুজন জানায় যে, সুনামগঞ্জ থেকে একজনের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কর্মকর্তা হেনাকে ওই পদের জন্য উপযুক্ত বলে মনে করেন। এ সময় জাহাঙ্গীর নামক কথিত এপিএস ফোন করে এ ব্যাপারে সজীব ওয়াজেদ জয় ও সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের আগ্রহের কথা হেনাকে বলেন। এ পদ পেতে হেনা আগ্রহ প্রকাশ করে।

সেলিনা রহমান নামের একজন নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারে সম্পৃক্ত পরিচয় দিয়ে হেনাকে ভাগ্যবান বলে সম্মোধন করেন। তার সঙ্গেও মোবাইলে বহুবার কথা হয়।

তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী হেনাকে দেখা করতে বলেছেন। সাক্ষাতের প্রস্তুতি হিসাবে কয়েটি দামি শাড়ী কেনা হবে এবং সাক্ষাতের দিন শাড়ীগুলো হেনার হাত দিয়ে দেয়া হবে। তার কথার ওপর বিশ্বাস করে সুজনকে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা দেয়া হয়। সব চূড়ান্ত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের জন্য আরও ১৩ লাখ টাকার উপহার প্রয়োজন বলে জানায় সুজন।

৯ জুলাই ওই টাকাও দেয় হয় সুজনকে। এর পরের দিন সুজন জানায় যে সেলিনা রহমান অসন্তুষ্ট। তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য ১৬ জুলাই সুজনের হাতে আরও ৩ লাখ টাকা দেয়া হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের নাম ব্যবহার করে ‘হেনা আঙ্কেন’ সম্বোধন করে জানায় যে, তার এক বান্ধবীকে স্বর্ণালংকার উপহার দিতে ১০ লাখ টাকা লাগবে। পরের দিন জাহাঙ্গীরকে এ কথা জানানোর পর সে জানায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ লাখ টাকা লাগবে।

তাদের কথায় সন্দেহ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় টাকা দেয়ার কথা বলে ২২ জুলাই সুজনকে আটক করা হয়। এভাবে তিন জন প্রতারক প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সম্মান হানীর জন্য সর্বমোট ১৭ লাখ ৪৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
২০১৫-২০২৩ © বাংলা৭১নিউজ.কম কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com