ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo মেয়ের জন্মদিনে নেইমারের অদ্ভুত কাণ্ড, বিস্মিত সবাই Logo আগামী তিন মাস ডেঙ্গু পরিস্থিতির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo ডিভাইসের আসক্তি থেকে শিশু-কিশোরদের মাঠে ফেরাতে হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী Logo সাংবাদিকরা সমাজ ও দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী Logo সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে কেউ কেউ বিতর্ক তৈরির চেষ্টা করছেন : আইনমন্ত্রী Logo হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু Logo ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৫০ হাজার ছাড়ালো, মৃত্যু ১৪৩ Logo গুলশানে মিছিল : আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মী ১০ দিনের রিমান্ডে Logo মধ্যপ্রাচ্যে ‘সর্বোচ্চ সংযমের’ আহ্বান জানিয়ে ঘোষণাপত্র গ্রহণ করল ব্রিকস Logo দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ চায় ভারত, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান

বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ

আজ ১১ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন।

২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ৩৭২ দিন আটক থাকার পর এই দিনে তিনি সংসদ ভবন এলাকার ভেতরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এরপর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে শুধু একটি দিন নয়। অপেক্ষা, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান এবং স্বাধীনতার আনন্দ উদ্‌যাপনের এক আবেগঘন ক্ষণও।

সেই থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে ১১ সেপ্টেম্বর শুধু একটি তারিখ নয়; বরং আবেগঘন এক দিন। দীর্ঘ অপেক্ষা, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে মুক্তির আনন্দ উদ্‌যাপনের ক্ষণও।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়।

এরপর আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবনে বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভবনটিকে পরিণত করা হয় বিশেষ কারাগারে।

দিন গড়িয়ে মাস, মাস গড়িয়ে বছর পেরিয়ে যায়। এই পুরোটা সময় দলের নেতা, কর্মী-সমর্থক ও আত্মীয়স্বজন উৎকণ্ঠা নিয়ে প্রতিদিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।

অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়া বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।

মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যেই রাজপথে নেমে আসে মানুষের ঢল। কারও হাতে ছিল ফুল, আবার কারও চোখে আনন্দাশ্রু। প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানাতে সবার মধ্যে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

তারপর পেরিয়ে গেছে বহু বছর। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষের স্মৃতিতে আজও অমলিন ১১ সেপ্টেম্বর।

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পথচলা নানা উত্থান-পতন, সংগ্রাম, দুর্ভোগ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে খ্যাত আপসহীন এই নেত্রীর সেই দুর্ভোগের অবসান ঘটে।

২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। তার মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তা ছিল নজিরবিহীন।

দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও ১৯৭৮ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

সূত্র; বাসস

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Tag :

মেয়ের জন্মদিনে নেইমারের অদ্ভুত কাণ্ড, বিস্মিত সবাই

বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন আজ

আপডেট সময় ১০:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ ১১ সেপ্টেম্বর, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র সাবেক চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির দিন।

২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ৩৭২ দিন আটক থাকার পর এই দিনে তিনি সংসদ ভবন এলাকার ভেতরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান।

এরপর থেকে ১১ সেপ্টেম্বর বিএনপির নেতাকর্মীদের কাছে শুধু একটি দিন নয়। অপেক্ষা, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান এবং স্বাধীনতার আনন্দ উদ্‌যাপনের এক আবেগঘন ক্ষণও।

সেই থেকে বিএনপি নেতাকর্মীদের কাছে ১১ সেপ্টেম্বর শুধু একটি তারিখ নয়; বরং আবেগঘন এক দিন। দীর্ঘ অপেক্ষা, উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান ঘটিয়ে মুক্তির আনন্দ উদ্‌যাপনের ক্ষণও।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের বাসভবন থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে আটক করা হয়।

এরপর আদালতে হাজির করা হলে তার জামিন নামঞ্জুর করে সংসদ ভবন এলাকার একটি ভবনে বন্দি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। ভবনটিকে পরিণত করা হয় বিশেষ কারাগারে।

দিন গড়িয়ে মাস, মাস গড়িয়ে বছর পেরিয়ে যায়। এই পুরোটা সময় দলের নেতা, কর্মী-সমর্থক ও আত্মীয়স্বজন উৎকণ্ঠা নিয়ে প্রতিদিন কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন।

অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর বেগম খালেদা জিয়া বন্দিদশা থেকে মুক্তি পান।

মুক্তির খবর ছড়িয়ে পড়তে মুহূর্তের মধ্যেই রাজপথে নেমে আসে মানুষের ঢল। কারও হাতে ছিল ফুল, আবার কারও চোখে আনন্দাশ্রু। প্রিয় নেত্রীকে স্বাগত জানাতে সবার মধ্যে ছিল ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

তারপর পেরিয়ে গেছে বহু বছর। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী মানুষের স্মৃতিতে আজও অমলিন ১১ সেপ্টেম্বর।

বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক পথচলা নানা উত্থান-পতন, সংগ্রাম, দুর্ভোগ ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। শেষ পর্যন্ত গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে খ্যাত আপসহীন এই নেত্রীর সেই দুর্ভোগের অবসান ঘটে।

২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। তার মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার যে বহিঃপ্রকাশ ঘটে, তা ছিল নজিরবিহীন।

দেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জানাজা শেষে তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও ১৯৭৮ সালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।

সূত্র; বাসস

বাংলা৭১নিউজ/জেএস