ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা Logo প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo দুই হাত নেই, মুখে কলম ধরে দাখিলে উত্তীর্ণ রিয়াদ Logo হঠাৎ ভূমি অফিসে প্রতিমন্ত্রী, কর্মকর্তাদের উপস্থিতি নিয়ে ধরা পড়ল বড় অনিয়ম Logo কদমতলীতে রিকশাচালক ইমন হত্যা মামলায় আল-আমিনের যাবজ্জীবন Logo ত্রিশালে ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪ Logo তিন জেলায় আইনশৃঙ্খলা কার্যক্রমে মাঠ প্রশাসনের সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশ Logo নজরুল বর্ষের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ Logo সালমান এফ রহমানের পক্ষে লড়তে বিদেশি আইনজীবীর আবেদন Logo মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কিনা সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, রায় আজ

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ সোমবার (৩১ আগস্ট)। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

এ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে, নাকি তার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসবে—আজকের রায়ে তা জানা যাবে।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক বলেন, মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি, হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং মেডিকেল রিপোর্টসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় হাইকোর্টেও বহাল থাকবে। অন্যদিকে হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান তার খালাস চেয়েছেন।

আছিয়ার মৃত্যুর পর তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। মামলায় আছিয়ার বড় বোন হামিদাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। এ ছাড়া মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০২৫ সালের ১৭ মে মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই রায়ে অপর তিন আসামি—আছিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের চার দিন পর মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আজকের রায়ের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ডের পরবর্তী আইনি অবস্থানও স্পষ্ট হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

Tag :

কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে আগুন, আতঙ্কে যাত্রীরা

আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, রায় আজ

আপডেট সময় ১০:৩৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

বহুল আলোচিত মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ সোমবার (৩১ আগস্ট)। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন।

এ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে, নাকি তার আপিলের পরিপ্রেক্ষিতে ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসবে—আজকের রায়ে তা জানা যাবে।

এর আগে গত ২৫ আগস্ট রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পিছিয়ে আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়। হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক বলেন, মামলায় সাক্ষীদের জবানবন্দি, হিটু শেখের ১৬৪ ধারায় দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং মেডিকেল রিপোর্টসহ বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের প্রত্যাশা, বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় হাইকোর্টেও বহাল থাকবে। অন্যদিকে হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আইনজীবী হাফিজুর রহমান খান তার খালাস চেয়েছেন।

আছিয়ার মৃত্যুর পর তার বোনের শ্বশুর হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। মামলায় আছিয়ার বড় বোন হামিদাসহ মোট ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। এ ছাড়া মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০২৫ সালের ১৭ মে মামলার রায় ঘোষণা করেন বিচারিক আদালত। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই রায়ে অপর তিন আসামি—আছিয়ার বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ এবং তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

ট্রাইব্যুনালের রায়ের চার দিন পর মামলার যাবতীয় নথি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়। আজকের রায়ের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ডের পরবর্তী আইনি অবস্থানও স্পষ্ট হবে।

বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ