হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় মাদক বিক্রির অভিযোগে দুই যুবককে আটকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে উপজেলার আনোয়ারপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষ হয়।
আহতদের হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে নোয়াগাঁও গ্রামের দুই যুবক আনোয়ারপুর এলাকায় গেলে তাঁদের মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক করেন ওই গ্রামের এক ব্যক্তি। এ সময় তাঁদের মারধর করা হয়। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই দুই যুবককে উদ্ধার করে।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আনোয়ারপুর ও নোয়াগাঁও গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জেরে শনিবার সকালে উভয় গ্রামের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ফজল মিয়া (২৫), আলমগীর (৩৬), মো. সত্তর মিয়া (৬২), জয়নুদ্দিন (৩৮), জিকির মিয়া (৪১), মফিল মিয়া (৫০), সজল হক (৪৮), শিপন (১৯) ও সজল মিয়া (৩৫)।
তাঁদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে গুরুতর আহত সজল মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল হক বলেন, দুই গ্রামবাসীর মধ্যে আগে থেকেই উত্তেজনা ছিল।
একপর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ




























