নির্ধারিত সময়সীমার আগে গতকাল শুক্রবার রাতে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছে কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক আরোপ করলে কানাডাও সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে।
কার্নি জানান, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যরাত থেকে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর জবাবে কানাডা নিজেদের শ্রমিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।
নতুন শুল্ক ঠেকিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে দুই দেশ গত তিন দিন ধরে ওয়াশিংটনে আলোচনা চালিয়ে আসছিল। কার্নি বলেন, আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত কানাডার প্রত্যাশা অনুযায়ী কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
কার্নি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আজ সন্ধ্যায় আমি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কানাডার আলোচনাকারীদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।’
নির্ধারিত সময়সীমার আগে গতকাল শুক্রবার রাতে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করেছে কানাডা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক আরোপ করলে কানাডাও সমপরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে।
কার্নি জানান, যুক্তরাষ্ট্র মধ্যরাত থেকে প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার মূল্যের কানাডীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর জবাবে কানাডা নিজেদের শ্রমিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে সুরক্ষিত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক আরোপ করবে।
নতুন শুল্ক ঠেকিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে দুই দেশ গত তিন দিন ধরে ওয়াশিংটনে আলোচনা চালিয়ে আসছিল। কার্নি বলেন, আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি’ হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত কানাডার প্রত্যাশা অনুযায়ী কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
কার্নি বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে আজ সন্ধ্যায় আমি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং কানাডার আলোচনাকারীদের অটোয়ায় ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।’
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, কানাডাই আলোচনা থেকে সরে গেছে
বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকেই দায়ী করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, চুক্তির দিকে অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও কানাডা আলোচনার টেবিল থেকে সরে গেছে।
গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বাণিজ্য সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তার অভিযোগ, আলোচনার শেষ পর্যায়ে কানাডা নতুন কিছু দাবি তোলে এবং আগের কিছু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া সমঝোতার ভারসাম্য নষ্ট হয়।
একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, কানাডা এমন কিছু সুবিধা চেয়েছিল, যা দিতে যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়। বিশেষ করে গাড়ি, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও কাঠ খাতে কানাডার দাবিগুলো নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়।
ওই কর্মকর্তা আরো সতর্ক করে বলেন, কানাডা যদি নতুন মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, তাহলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আবারও ‘সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে’ নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
মধ্যরাত থেকে কার্যকর হচ্ছে নতুন মার্কিন শুল্ক
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক মধ্যরাতের পর কার্যকর হবে। জেমিসন গ্রিয়ারের সংবাদ সম্মেলনের কিছুক্ষণ আগে মার্কিন কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন আমদানিকারকদের জন্য এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট কানাডীয় পণ্যের ওপর নতুন শুল্ক রাত ১২টা ১ মিনিটের পর থেকে কার্যকর হবে।
নতুন শুল্ক কানাডার মোট রপ্তানির তুলনামূলক ছোট একটি অংশের ওপর প্রযোজ্য হবে। তবে ইস্পাত, কাঠ ও গাড়ির ওপর আগে থেকেই থাকা মার্কিন শুল্কের সঙ্গে এগুলো যুক্ত হবে। এতে কানাডার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ওপর চাপ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চলমান বৃহত্তর আলোচনাও জটিল হয়ে উঠতে পারে।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (ইউএসএমসিএ) কানাডার শিল্পের বড় একটি অংশকে যুক্তরাষ্ট্রের আগের শুল্ক থেকে সুরক্ষা দিয়েছিল। নতুন শুল্কের আওতায় ওই চুক্তির অধীনে বিশেষ সুবিধা পাওয়ার যোগ্য কানাডীয় পণ্যও পড়বে।
আলোচনা ভেঙে যাওয়ায় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নতুন শুল্ক কার্যকর করার দিকে এগিয়ে যাওয়ায় কানাডাও এর জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বাণিজ্য আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকেই দায়ী করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বলেছেন, চুক্তির দিকে অগ্রগতি হওয়া সত্ত্বেও কানাডা আলোচনার টেবিল থেকে সরে গেছে।
গ্রিয়ার বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কানাডাকে বড় রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো বাণিজ্য সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে তার অভিযোগ, আলোচনার শেষ পর্যায়ে কানাডা নতুন কিছু দাবি তোলে এবং আগের কিছু প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে তৈরি হওয়া সমঝোতার ভারসাম্য নষ্ট হয়।
একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, কানাডা এমন কিছু সুবিধা চেয়েছিল, যা দিতে যুক্তরাষ্ট্র রাজি নয়।
বিশেষ করে গাড়ি, ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও কাঠ খাতে কানাডার দাবিগুলো নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়। ওই কর্মকর্তা আরো সতর্ক করে বলেন, কানাডা যদি নতুন মার্কিন শুল্কের জবাবে পাল্টা শুল্ক আরোপ করে, তাহলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আবারও ‘সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করতে’ নতুন পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
বাংলা৭১নিউজ/আরএইচ

























