ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ Logo এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা Logo ১৪ অঞ্চলে ঝড়ের সতর্কতা Logo উপসাগরীয় অঞ্চলের সব অবকাঠামো ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ইরানের Logo পুলিশ-সশস্ত্র বাহিনীর সমন্বয় জোরদারে এএফডব্লিউসি কর্মকর্তাদের মতবিনিময় Logo সমাজ সভ্যতার জন্য গণমাধ্যম ও উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে: তথ্যমন্ত্রী Logo তিন প্রতিষ্ঠানের খাদ্যপণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ Logo আন্দোলনে বক্তব্যের জেরে সাবেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মাইলস্টোন কলেজের জিডি Logo জুলাই জাতীয় সনদই কার্যকর আইন, সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের দাবি

বাগেরহাটে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকেয়া খানম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ৫৮, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ লাখের বেশি মানুষ

বাগেরহাটে দম্পতির মরদেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

আপডেট সময় ০৬:০৪:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় নিজ ঘর থেকে এক দম্পতির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে হত্যার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হলেও, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শরণখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রোকেয়া খানম।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) উপজেলার রাজৈর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে কবির হাওলাদার ও তাঁর স্ত্রী হালিমা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

স্বজনদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহের কারণে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। তাঁদের ধারণা, ওই বিরোধের জেরেই স্ত্রী হালিমা বেগমকে হত্যার পর কবির হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিরকুট উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে লেখা রয়েছে, “এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়।” চিরকুটটির সত্যতা এবং এটি কে লিখেছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

পুলিশ জানায়, হালিমা বেগমের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

নিহত দম্পতির সাত বছর ও দুই মাস বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে। ঘটনার সময় দুই মাসের শিশুসন্তানটি ঘরেই ছিল। বাবা-মায়ের মরদেহের পাশেই শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় দেখতে পান স্বজন ও প্রতিবেশীরা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকেয়া খানম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহে পাওয়া আলামতও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বাংলা৭১নিউজ/একেএএম