
পরে ওই বছরের ২৩ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে খবর পান, জিসানের বয়সী এক ছেলের লাশ ঢাকা মেডিক্যালে পড়ে আছে। সেখানে গিয়ে তিনি ছেলের লাশ শনাক্ত করেন।
তিনি জানতে পারেন, বাড্ডা থানা পুলিশ আফতাব নগরস্থ আলমগীরের মাছের খামারের মধ্যে জিসানের দেহে চারটি ইট, মাফলার দিয়ে কোমরের সঙ্গে বাধা অবস্থায় পায়। পরে র্যাব জিসান হত্যার সঙ্গে জড়িত শাহিন মিয়া ও শরিফুল ইসলামকে আটক করে।
র্যাবের কাছে তারা স্বীকার করে, ১৯ জানুয়ারি বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে মুক্তিপণের উদ্দেশ্য জিসানকে ভুল বুঝিয়ে ফুসলিয়ে খিলগাঁও থানাধীন মেরাদিয়া সিপাহীবাগ নতুন রাস্তা রিকশা গ্যারেজ থেকে অপহরণ করে বাড্ডা থানাধীন আফতাব নগরস্থ আলমগীরের মাছের খামার নিয়ে জিসানকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।
লাশ গুম করতে জিসানের কোমরের সঙ্গে মাফলার দিয়ে চারটি ইট বেঁধে পানিতে ফেলে দেয়। এ ঘটনায় ২৪ জানুয়ারি মোফাজ্জল হোসেন খিলগাঁও থানায় মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত করে ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি খিলগাঁও থানার পরিদর্শক মোহাম্মদ রাহাৎ খান দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। এখন পর্যন্ত মামলাটিতে ৩৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে।
বাংলা৭১নিউজ/এবি