রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০৮:২৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মায়া ঘোষের শেষকৃত্য সম্পন্ন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে আদালতে যায়নি কেউ স্বাস্থ্য থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. মুরাদ হাসান বিএনপিতে যোগ দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মান্নার রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশের খরচ’ তদন্তে কমিটি ধানে আগুন, মুলা ক্ষেতে লাঙ্গল ঈদে পেশাদার চালক ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে মসজিদেও যেতে পারে না ৫ পরিবার খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে চলমান মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩% প্রথম ইনিংস শেষ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলব মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে জারি করা পরিপত্র অবৈধ : হাইকোর্ট লক্ষ্মীপুরে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পলাতক আর্নল্ড সোয়ার্জেনেগারকে লাথি মারলো যুবক (ভিডিও) মাসিক সম্মানী ভাতা ৩৫ হাজার টাকা চান মুক্তিযোদ্ধারা বগুড়া-৬ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এল এক লাখ পিস ইয়াবা শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক
বিদ্যুৎ ক্রয়ে উচ্চমূল্য ও ট্যারিফ পার্থক্যে লোকসান গুনছে পিডিবি

বিদ্যুৎ ক্রয়ে উচ্চমূল্য ও ট্যারিফ পার্থক্যে লোকসান গুনছে পিডিবি

বাংলা৭১নিউজ রিপোর্ট : ট্যারিফে ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)-কে একেক কোম্পানির কাছ থেকে একেক দামে বিদ্যুৎ ক্রয় করতে হচ্ছে। ট্যারিফের এই ভিন্নতা রয়েছে যেমন গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রে, তেমনি ভিন্নতা রয়েছে হাই স্পিড ডিজেলভিত্তিক (এইচএসডি) বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রেও। বিদ্যুৎ ক্রয়ে উচ্চমূল্য ও ট্যারিফ পার্থক্যের কারণে  পিডিবি’র  আর্থিক সক্ষমতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে । প্রতি বছরই প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে। বিদ্যুৎ ক্রয় বাবদই চলে যাচ্ছে  এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালন ব্যয়ের সিংহভাগ। বর্তমানে সংস্থাটির মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ যাচ্ছে বেসরকারি, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ে। এতে লোকসানের পরিমাণও বাড়ছে। সর্বশেষ অর্থবছরও বিপিডিবির লোকসান হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

দেশে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের যাত্রা হয় দুই দশকের বেশি সময় আগে। বর্তমানে দেশে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে ৮০টির বেশি, যা উৎপাদন করছে মোট বিদ্যুতের ৪০ শতাংশ। যদিও এখন পর্যন্ত প্রতিযোগিতা তৈরি হয়নি বেসরকারি বিদ্যুৎ খাতে। বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলো আগ্রহপত্র জমা দিচ্ছে। পরবর্তী সময়ে দরকষাকষির ভিত্তিতে নিজেদের চাহিদামতো ট্যারিফে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে চুক্তি করছে। এতে একই জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র হওয়ার পরও ট্যারিফে পার্থক্য থেকে যাচ্ছে।

বিপিডিবির সঙ্গে সম্পাদিত বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি অনুযায়ী, এইচএফওভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে শিকলবাহায় বারাকা পাওয়ারের ১০৫ মেগাওয়াট কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ দশমিক ৪৯৫ সেন্ট। একই জ্বালানিভিত্তিক জুলদায় অ্যাকর্নের ১০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১০ দশমিক ৫ ও মানিকগঞ্জে ডরিনের ১৬২ মেগাওয়াটের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১০ দশমিক ৫৩৫ সেন্ট। এছাড়া কড্ডায় সামিট পাওয়ারের ৩০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ দশমিক ৬ সেন্ট। এ কেন্দ্রের মতো খুলনায় ওরিয়নের ১১০ মেগাওয়াট ও বগুড়ায় কনফিডেন্সের ১১৩ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি ইউনিটের মূল্যও ১০ দশমিক ৬ সেন্ট করে।

চাঁদপুরে দেশ এনার্জির ২০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ দশমিক ৬৫ সেন্ট। ইউনাইটেড গ্রুপের এইচএফওভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে ময়মনসিংহে ২০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ দশমিক ৭ সেন্ট, জামালপুরের ১১৫ মেগাওয়াটের ১১ দশমিক ১০ সেন্ট ও আনোয়ারার ৩০০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১৮ দশমিক ৩৭৫০ সেন্ট।

ট্যারিফে ভিন্নতা রয়েছে হাই স্পিড ডিজেলভিত্তিক (এইচএসডি) বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যেও। ঢাকার কেরানীগঞ্জে এইচএসডিভিত্তিক ৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন পেয়েছে এপিআর এনার্জি। কেন্দ্রটিতে উৎপাদিত প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ধরা হয়েছে ২৫ দশমিক ৪১৭১ সেন্ট। কেরানীগঞ্জে অ্যাগ্রিকো ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্টসের একই জ্বালানিভিত্তিক ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ২৫ সেন্ট। আবার কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বাংলাট্র্যাকের ২০০ মেগাওয়াট কেন্দ্র থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ২৫ দশমিক ৪১ সেন্টে কিনছে বিপিডিবি।

ট্যারিফের ভিন্নতা রয়েছে সৌরবিদ্যুতের ক্ষেত্রেও। দেশের চার জেলায় ২৫৮ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার চারটি সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে ২০১৭ সালে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলে ৫০ মেগাওয়াট ও পঞ্চগড়ে আট মেগাওয়াট প্রকল্পের প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ধরা হয়েছে ১৩ সেন্ট। বাগেরহাটের ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কিনতে ব্যয় হবে ইউনিটপ্রতি ১৩ দশমিক ৮ সেন্ট। আর নীলফামারীতে ১০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রতি ইউনিটের মূল্য ১৪ সেন্ট।

আবার সুনামগঞ্জে ৩২ মেগাওয়াট ক্ষমতার সোলার পার্ক স্থাপনের একটি প্রকল্পে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ১৭ সেন্ট। কক্সবাজারের টেকনাফে স্থাপিত জুলস পাওয়ার লিমিটেডের (জেপিএল) ২০ মেগাওয়াট সোলার পার্কের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডের মাধ্যমে টেকনাফ উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। এখানকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য ১০ দশমিক ৫ সেন্ট।

প্রতিযোগিতা না থাকায় বিদ্যুতের ট্যারিফের এ বৈষম্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, অন্যান্য দেশে বিদ্যুতের জোগান দিতে সরকার আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কাছে আবেদন আহ্বান করে। সর্বনিম্ন মূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে এমন প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেয়া হয়। তবে দেশে প্রতিযোগিতাহীন প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর অনুমোদন দেয়া হচ্ছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এম শামসুল আলম এ প্রসঙ্গে বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে এসব কেন্দ্রের প্রয়োজন হতো না। প্রায় এক দশক আগে কুইক রেন্টাল চালুর ক্ষেত্রে যেসব যৌক্তিকতা তুলে ধরা হয়েছে, এখনো একই যুক্তিতে স্বল্পমেয়াদি নতুন কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে। একইভাবে আগের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চুক্তিও নবায়ন করা হচ্ছে। এগুলো খাতটির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়াবে।

তবে বেশ কয়েকটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণ পিছিয়ে যাওয়ায় বেসরকারি খাতে নতুন এসব কেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হয়েছে বলে দাবি বিপিডিবির। এর মধ্যে রয়েছে মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, রামপালসহ আরো কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

বেসরকারি খাতে অনুমোদন পাওয়া এসব কেন্দ্র থেকে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন বিপিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ। তিনি বলেন, আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। এরপর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনুমোদন দেয়া হয় সেগুলো।

বেসরকারি খাতের এসব বিদ্যুৎকেন্দ্র অনুমোদন দেয়া হচ্ছে যে আইনে সেই বিদ্যুৎ-জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে আরো তিন বছর। ২০১০ সালে পাস হওয়া এ আইনের মেয়াদ ২০২১ সাল পর্যন্ত বাড়িয়ে সর্বশেষ গত বছরের জুলাইয়ে সংসদে বিল পাস করা হয়েছে।

আইনটির লক্ষ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য ও গৃহস্থালি কাজের চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন বৃদ্ধি, সঞ্চালন, পরিবহন ও বিপণনের নিমিত্তে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সুবিধার্থে ও প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি আমদানির পরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জ্বালানি সম্পর্কিত খনিজ পদার্থের দ্রুত আহরণ ও ব্যবহারের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আইনটি করা হয়।

এ আইনের আওতায় অনুমোদন পাওয়া কেন্দ্র থেকে উচ্চ ট্যারিফে বিদ্যুৎ কিনতে গিয়ে আর্থিক সক্ষমতা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে বিপিডিবির। প্রতি বছরই তাদের লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে। বিদ্যুৎ ক্রয় বাবদই চলে যাচ্ছে পরিচালন ব্যয়ের সিংহভাগ। বর্তমানে সংস্থাটির মোট পরিচালন ব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ যাচ্ছে বেসরকারি, রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ ক্রয়ে। এতে লোকসানের পরিমাণও বাড়ছে। সর্বশেষ অর্থবছরও বিপিডিবির লোকসান হয়েছে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি।

এদিকে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দফায় দফায় বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। সর্বশেষ ২০১৭ সালে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ২০১০ সালের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মোট আটবার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। এতে চাপ তৈরি হচ্ছে গ্রাহকের ওপর।

পাওয়ার সেলের তথ্যমতে, ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ বিবেচনায় নিলে বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২১ হাজার ২৮২ মেগাওয়াট।

বিপিডিবির হিসাবে, বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর স্থাপিত উৎপাদন সক্ষমতা ১৮ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। আর প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতা ১৭ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটের মতো। কেন্দ্রের স্থায়িত্ব, উৎপাদিত বিদ্যুতের মান ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে নির্ধারণ করা হয় বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৃত উৎপাদন ক্ষমতা (ডিরেটেড ক্যাপাসিটি)। উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতার উন্নয়ন হলেও এর বিপরীতে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন এখন পর্যন্ত ১২ হাজার মেগাওয়াট। গত ২৯ এপ্রিল সন্ধ্যায় দেশের সর্বোচ্চ ১২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। সক্ষমতার অনেকটা অব্যবহৃত থাকার পরও বেসরকারি খাতে ভাড়াভিত্তিক উচ্চমূল্যের বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনুমোদন দেয়া হচ্ছে।

বেসরকারি খাতের অন্যতম ভাড়াভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বারাকা পাওয়ারের পরিচালক (অর্থ) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রের স্থান, বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মুনাফাসহ আরো বেশকিছু বিষয় ট্যারিফ নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

বর্তমানে প্রকৃত উৎপাদন সক্ষমতার বিচারে গ্যাসের পর সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে তেলভিত্তিক কেন্দ্র থেকে। ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকে আসছে মোট বিদ্যুতের ৩৬ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এর মধ্যে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ৪ হাজার ২২৫ মেগাওয়াট ও ডিজেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা ২ হাজার ২৮১ মেগাওয়াট।

গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ৯ হাজার ৩৫৯ মেগাওয়াট, যা মোট সক্ষমতার ৫২ দশমিক ৮৮ শতাংশ। ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে ৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ বিদ্যুৎ। মোট উৎপাদন সক্ষমতার ২ দশমিক ৫১ শতাংশ ও ১ দশমিক ৩ শতাংশ যথাক্রমে কয়লা ও জলবিদ্যুতের। এর বাইরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে যোগ হচ্ছে ২৮৬ মেগাওয়াট।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচবি

 

Please Share This Post in Your Social Media


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ – ২০১৯ । জেডএস মাল্টিমিডিয়া লিমেটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান