রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০৮:৩২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মায়া ঘোষের শেষকৃত্য সম্পন্ন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে আদালতে যায়নি কেউ স্বাস্থ্য থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. মুরাদ হাসান বিএনপিতে যোগ দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মান্নার রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশের খরচ’ তদন্তে কমিটি ধানে আগুন, মুলা ক্ষেতে লাঙ্গল ঈদে পেশাদার চালক ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে মসজিদেও যেতে পারে না ৫ পরিবার খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে চলমান মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩% প্রথম ইনিংস শেষ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলব মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে জারি করা পরিপত্র অবৈধ : হাইকোর্ট লক্ষ্মীপুরে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পলাতক আর্নল্ড সোয়ার্জেনেগারকে লাথি মারলো যুবক (ভিডিও) মাসিক সম্মানী ভাতা ৩৫ হাজার টাকা চান মুক্তিযোদ্ধারা বগুড়া-৬ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এল এক লাখ পিস ইয়াবা শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক
পদ নিয়ে চিন্তা করিনি, অন্যকে পদে বসিয়েছি

পদ নিয়ে চিন্তা করিনি, অন্যকে পদে বসিয়েছি

বাংলা৭১নিউজ,ঢাকা: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমার রাজনীতির শুরু ছাত্রজীবন থেকেই। তবে কখনো কোনো বড় পোস্টে ছিলাম না, বড় পোস্ট চাইওনি কখনো। যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির একজন সদস্য ছিলাম। আমরা কখনো পদ নিয়ে চিন্তা করিনি, পদ আমরা চাইওনি। পদ সৃষ্টি করা এবং সবাইকে পদে বসানো—এই দায়িত্বটাই পালন করতাম।

‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের শুভেচ্ছা গ্রহণকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনীতির কাজ করে যেতাম আব্বার আদর্শ নিয়ে। তিনি বছরের পর বছর জেল খেটেছেন। আমরা দুটো বছরও আব্বাকে একসঙ্গে জেলের বাইরে পাইনি। অনেক ঘাত-প্রতিঘাত ও চড়াই-উত্রাইয়ের মধ্য দিয়ে আমাদের যেতে হয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে কখনো হা-হুতাশ ছিল না। আমাদের মা খুব দৃঢ়চেতা ছিলেন। আমার বাবার অবর্তমানে মা পার্টি চালাতেন। মামলা-মোকাদ্দমাও চালাতেন। সবই করতেন তিনি। সংসারও দেখতেন।’

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৮১ সালে বিদেশ থেকে স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ৩৮ বছরে বাংলাদেশের মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হোক, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক এমন কোনো কাজ আমি বা আমার পরিবারের কোনো সদস্য কখনো করিনি। নিজেদের চাওয়া-পাওয়ার জন্য কাজ করিনি, কাজ করেছি দেশের মানুষের জন্য। সব সময় চিন্তা করেছি—মানুষকে কী দিতে পারলাম, মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম। আমরা যতবার ক্ষমতায় এসেছি, মানুষের জন্য কাজ করেছি, মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি।’

কয়েক দশক আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকার প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটা দলের সভানেত্রী হিসেবে ৩৮ বছর, এটা বোধ হয় একটু বেশি হয়ে যাচ্ছে।’ তখন উপস্থিত নেতাকর্মীরা সমস্বরে বলে ওঠে, ‘না’। এ সময় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় আপনাদেরও সময় এসেছে, তা ছাড়া বয়সও হয়েছে। এ বিষয়গুলো তো দেখতে হবে।’

১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘২১ বছর পর দল ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় গেলে কী করব তার প্রস্তুতি ছিল বলেই পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের মানুষের মধ্যে একটা আস্থা তৈরি করতে পেরেছিলাম। ক্ষমতায় থেকেও মানুষের আস্থা-বিশ্বাস অর্জন করতে পেরেছি—এটাও কিন্তু বিশাল অর্জন। নেতাকর্মীদের কাছে এটুকু চাইব—এই আস্থা-বিশ্বাস যেন আমরা ধরে রাখতে পারি। ব্যক্তিগত জীবনে কী পেলাম না পেলাম সে চিন্তা যেন না করি। দেশের মানুষের জন্য কতটুকু করতে পারলাম, কতটুকু দিতে পারলাম সেটাই সবচেয়ে বড় কথা।’

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিনের স্মৃতিচারণা করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সে দিন প্রচণ্ড ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার মানুষের ঢল নেমেছিল। বিমানবন্দর থেকে ট্রাকে করে সংসদ ভবনের সামনে আসতে প্রায় চার ঘণ্টা লেগে গিয়েছিল।’

বক্তব্যের আগে প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী, মতিয়া চৌধুরী, আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় নেতা এনামুল হক শামীম, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

বাংলা৭১নিউজ/এম.এস

Please Share This Post in Your Social Media


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ – ২০১৯ । জেডএস মাল্টিমিডিয়া লিমেটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান