রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০৯:২১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মায়া ঘোষের শেষকৃত্য সম্পন্ন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে আদালতে যায়নি কেউ স্বাস্থ্য থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. মুরাদ হাসান বিএনপিতে যোগ দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মান্নার রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশের খরচ’ তদন্তে কমিটি ধানে আগুন, মুলা ক্ষেতে লাঙ্গল ঈদে পেশাদার চালক ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে মসজিদেও যেতে পারে না ৫ পরিবার খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে চলমান মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩% প্রথম ইনিংস শেষ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলব মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে জারি করা পরিপত্র অবৈধ : হাইকোর্ট লক্ষ্মীপুরে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পলাতক আর্নল্ড সোয়ার্জেনেগারকে লাথি মারলো যুবক (ভিডিও) মাসিক সম্মানী ভাতা ৩৫ হাজার টাকা চান মুক্তিযোদ্ধারা বগুড়া-৬ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এল এক লাখ পিস ইয়াবা শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক
ট্রাকপ্রতি একশ থেকে ৫শ টাকা আদায় করে পুলিশ

ট্রাকপ্রতি একশ থেকে ৫শ টাকা আদায় করে পুলিশ

বাংলা৭১নিউজ,(শরীয়তপুর)প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়কের শরীয়তপুর অংশে চলাচলকারী যানবাহন চালকদের কাছে ট্রাফিক পুলিশের প্রকাশ্য চাঁদাবাজি এখন বড় আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। আংগারিয়া থেকে নরসিংহপুর পর্যন্ত মাত্র ৩৫ কিলোমিটার সড়কের অন্তত পাঁচটি স্পটে ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিতে হয় বলে অভিযোগ করেছেন চালকরা। মালিক ও চালকদের কাছ থেকে মাসিক চুক্তিতে অর্থ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে সড়কের নিরাপত্তায় থাকা ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে একাধিক দিন মহাসড়কের একাধিক স্পটে ঘুরে ও গাড়িচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মনোহরবাজার, হিন্দুপাড়া স্কুলের মোড়, আংগারিয়া, রুদ্রকর ও বুড়িরহাট এলাকার অন্তত পাঁচটি স্পটে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে পণ্যবাহী যানবাহন থেকে টাকা আদায় করে ট্রাফিক পুলিশ। অধিকাংশ সময় ট্রাফিক পুলিশের টিএসআই গোলাম মোস্তফার নেতৃত্বে এটিএসআই কুদ্দুস ও ট্রাফিক কনস্টেবল সুব্রত এ চাঁদা আদায় করে থাকেন। প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত প্রতিটি পণ্যবাহী ট্রাক থেকে ১০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। বিশেষ করে দূরপাল্লার পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান ট্রাফিক পুলিশের চাঁদাবাজির প্রধান টার্গেট।

চট্টগ্রাম-খুলনা সড়কের এই অংশ দিয়ে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ পণ্যবাহী যানবাহন যাতায়াত করে। জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের আওতায় রয়েছে আরও পাঁচ শতাধিক যানবাহন। যার প্রতিটিকেই দৈনিক বা মাসিক চুক্তির আওতায় ট্রাফিক পুলিশকে টাকা দিতে হয়।

কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. দিদার মিয়া বলেন, আমার গাড়ির সব কাগজপত্র ঠিক আছে। এরপরও প্রতিবার যাওয়া-আসার সময় ট্রাফিক পুলিশকে চাঁদা দিতে হয়। না দিলে কোনো না কোনো কারণ দেখিয়ে মামলা করবে। তাই হয়রানি থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে টাকা দেই।

police

স্থানীয় ট্রাকচালক আবুল হোসেন, রফিকুল ইসলাম ও সোবহান মাতবর জানান, তারা মালিক সমিতির মাধ্যমে প্রতিমাসে গাড়িপ্রতি ৫০০ টাকা করে দেন। বিনিময়ে তাদের গাড়িতে স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়। এই স্টিকার দেখলে ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামায় না।

শরীয়তপুর ট্রাকচালক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হাওলাদার বলেন, ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে মাসিক চুক্তি থাকে। মাসিক টাকা দিলে কাগজ বা লাইসেন্স না থাকলেও সমস্যা নাই। আর না দিলে কাগজ থাকলেও ঝামেলা করে।

এ ব্যাপারে শরীয়তপুরের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন বলেন, গাড়ি থেকে অবৈধভাবে ট্রাফিক পুলিশের টাকা আদায়ের একটি ভিডিও আমরা পেয়েছি। ইতোমধ্যে তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এই ধরনের ঘটনায় যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধেই আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বাংলা৭১নিউজ/এলএ

Please Share This Post in Your Social Media


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ – ২০১৯ । জেডএস মাল্টিমিডিয়া লিমেটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান