রবিবার, ১৯ মে ২০১৯, ০৮:৫৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
মায়া ঘোষের শেষকৃত্য সম্পন্ন নূর হোসেনের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে আদালতে যায়নি কেউ স্বাস্থ্য থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ে ডা. মুরাদ হাসান বিএনপিতে যোগ দেয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান মান্নার রূপপুর প্রকল্পে ‘বালিশের খরচ’ তদন্তে কমিটি ধানে আগুন, মুলা ক্ষেতে লাঙ্গল ঈদে পেশাদার চালক ছাড়া কেউ গাড়ি চালাতে পারবে না মাতব্বরদের সিদ্ধান্তে মসজিদেও যেতে পারে না ৫ পরিবার খালেদার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ফের পিছিয়েছে চলমান মামলা নিয়ে সংবাদ প্রকাশে বাধা নেই : আইনমন্ত্রী কৃষক রক্ষা না করলে অভিশাপ নেমে আসবে: রিজভী ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধনের ফল প্রকাশ, পাসের হার ২০.৫৩% প্রথম ইনিংস শেষ, এবার দ্বিতীয় ইনিংস খেলব মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যূনতম বয়স নিয়ে জারি করা পরিপত্র অবৈধ : হাইকোর্ট লক্ষ্মীপুরে ৭ বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন, অভিযুক্ত ইউপি সদস্য পলাতক আর্নল্ড সোয়ার্জেনেগারকে লাথি মারলো যুবক (ভিডিও) মাসিক সম্মানী ভাতা ৩৫ হাজার টাকা চান মুক্তিযোদ্ধারা বগুড়া-৬ আসনে আ.লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ৮ এসএ পরিবহনের কুরিয়ারে এল এক লাখ পিস ইয়াবা শাহজালাল বিমানবন্দরে বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ৫ রোহিঙ্গা আটক
ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষায় প্রয়োজন ৭৬ লাখ টাকা

ওয়াসার পানির নমুনা পরীক্ষায় প্রয়োজন ৭৬ লাখ টাকা

বাংলা৭১নিউজ,ঢাকা: রাজধানী ঢাকার ওয়াসার পানির ১০৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করতে ৭৬ লাখ টাকা বাজেট লাগবে।

বুধবার হাইকোর্টে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দেয়া প্রতিবেদনে এ কথা জানানো হয়েছে।

এদিকে আরেক দফা সময় নিয়েছে ওয়াসা। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চে পরবর্তী শুনানি হবে।

এর আগে গত সোমবার শুনানিতে আদালতের নির্দেশের পরও ঢাকা ওয়াসার কোনো কোনো এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ তা পরীক্ষা করে প্রতিবেদন না দেয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন হাইকোর্ট।

একই সঙ্গে ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষায় যে অর্থ খরচ হবে, তা নির্ধারণ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে বুধবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন আদালত।

ওই দিন আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঢাকা ওয়াসার ১১টি পানির জোন রয়েছে। প্রত্যেকটি থেকে ২ বোতল পানি নিয়েই তো করা যায়। কিন্তু কোনো কথাই শুনছে না স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তারা (স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়) আমাদের হাইকোর্ট দেখাচ্ছে।

এর আগে শুনানিকালে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিলের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।

ওই প্রতিবেদনে পানি পরীক্ষায় কমিটি গঠন ও কমিটির কার্যপরিধি তুলে ধরা হয়। ওই প্রতিবেদনে ওয়াসাকে ১১টি জোনে ভাগ করে পানি পরীক্ষার কথা বলা হয়।

পাশাপাশি অর্থায়ন পাওয়া গেলে চার মাসের মধ্যে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর পর আদালত কোন কোন এলাকার পানি বেশি দূষিত ও অনিরাপদ সেসব এলাকা চিহ্নিত করে জানানোর নির্দেশ দেন। ওয়াসা বা রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের কোনো তথ্য না দিলেও রিটকারী আইনজীবী নিজেই এমন একটি তালিকাসংবলিত তথ্য আদালতে জমা দেন।

বাংলা৭১নিউজ/এস.এ

Please Share This Post in Your Social Media


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ – ২০১৯ । জেডএস মাল্টিমিডিয়া লিমেটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান