শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০১:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
রোলেক্স বেকারিতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, ৬ লাখ টাকা জরিমানা উন্নয়নের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা রক্ষা করছি : প্রধানমন্ত্রী গুরুতর আহত জন আব্রাহাম ফিলিস্তিনের বিষয়টি মীমাংসা হওয়ার আগে বিশ্বে শান্তি আসবে না: মাহাথির চন্দ্রা ও কোনাবাড়ী ফ্লাইওভার, ৪ আন্ডারপাস উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী এক যুগ পর নতুন নেতৃত্বে তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি আইলার দশ বছর পরও উপকূলের দূর্গম এলাকার জনজীবনের ক্ষত আজও স্পষ্ট উদ্বোধন হলো ২য় মেঘনা ও গোমতী সেতু নজরুলের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে বিতর্কের সুযোগ নেই শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২ রোহিঙ্গা নারী আটক কাঁঠালবাড়ী লঞ্চ টার্মিনালে ভোগান্তির অপর নাম অবৈধ দোকান ঈশ্বরদীতে ‘মাদক ব্যবসায়ীসহ’ দুজনের মরদেহ উদ্ধার নতুন করে আলোচনায় ফ্রান্সে পার্সেল বোমায় শিশুসহ আহত ১৩ ৩ জুনের টিকিট পেতে কমলাপুরে জনস্রোত পদ্মা সেতুর প্রায় ২ কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো জাতীয় কবির ১২০তম জন্মবার্ষিকী আজ গুজরাটে কোচিং সেন্টারে আগুনে নিহত বেড়ে ২১ বজ্রপাতে ৪ ঘুমন্ত ধানকাটা শ্রমিক নিহত নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরা হলো না তানিমের

নির্বাচনী মাঠে সেনাবাহিনী

ফাইল ছবি

বাংলা৭১নিউজ, ঢাকা: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাবাহিনী সারাদেশের অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতে পৌঁছাতে শুরু করেছে।

রোববার বিকেলে থেকে সেনারা অস্থায়ী ক্যাম্পে পৌঁছাতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদফতর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ৩৮৯ উপজেলায় সেনাবাহিনী এবং ১৮ উপজেলায় নৌবাহিনী কাজ করবে।

২৪ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট ৯ দিন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে বলে জানায় ইসি। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনেও তাদের একইভাবে মোতায়েন করেছিল ইসি। যদিও ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনে নিয়মিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী হিসেবে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল।

গত বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়।

পরিপত্রের নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘রিটার্নিং কর্মকর্তা সহায়তা চাইলে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সহায়তা করবেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজন অনুসারে উপজেলা থানায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের নিয়োগ করা হবে। রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বা ভোট গণনাকক্ষের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে সশস্ত্র বাহিনী। সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে ইসির কাজে যাবতীয় সহায়তা দেবে সশস্ত্র বাহিনী। প্রয়োজনে পরিস্থিতি বিবেচনা বা নির্দেশক্রমে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এই বাহিনী।’

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, ‘ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৭ থেকে ১৩২ ধারা অনুযায়ী কাজ করবে সশস্ত্র বাহিনী। অবৈধ সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে সশস্ত্র বাহিনীকে ডাকা হলে এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো উপায়ে বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করা না গেলে ঘটনাস্থলে থাকা সর্বোচ্চ পদের ম্যাজিস্ট্রেট সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ ও গ্রেফতারের নির্দেশ দিতে পারবেন। জরুরি পরিস্থিতিতে যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয়, সে ক্ষেত্রে কমিশন্ড অফিসার সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার জন্য সামরিক শক্তি প্রয়োগ এবং গ্রেফতার করার নির্দেশ দিতে পারবেন। সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে লিখিত নির্দেশ দেয়ার বাধ্যবাধকতা না থাকলেও মৌখিক নির্দেশ দেয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব তা লিখিত আকারে দেবেন।’

পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘ঝুঁকির বিবেচনায় প্রতিটি জেলায় নিয়োজিত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা রিটার্নিং কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কম-বেশি করা যাবে। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিবেচনায় প্রতিটি স্তরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনাসদস্য সংরক্ষিত হিসেবে মোতায়েন থাকবেন। বিমানবাহিনী প্রয়োজনীয় সংখ্যক হেলিকপ্টার ও পরিবহন বিমান জননিরাপত্তা বিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও বাহিনীগুলোর অনুরোধে উড্ডয়নে সহায়তা করবে।’

ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়ে পরিপত্রে বলা হয়, ‘যে ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হবে, সেখানে প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা দেয়ার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। তবে বাহিনীর পোশাকে থাকবেন কিন্তু কোনো ধরনের অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন করবে না। ইভিএম কেন্দ্রে যেসব সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য থাকবেন, তাদের নিরাপত্তার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর নিকটতম টহল দল ও স্থানীয় ক্যাম্প সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বা প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে অবহিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।’

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ‘নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে একটি কেন্দ্রীয় কো-অর্ডিনেশন সেল থাকবে। সেলের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে অনুরূপ জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেল স্থাপন করা হবে। কেন্দ্রীয় সেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি থাকবেন। সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে ২৭ ডিসেম্বর স্থাপিতব্য জয়েন্ট কো-অর্ডিনেশন সেল এ জননিরাপত্তা বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, সেনা, নৌ, বিমান বাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি থাকবেন।’ সূত্র: জাগোনিউজ।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

Please Share This Post in Your Social Media


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ – ২০১৯ । জেডএস মাল্টিমিডিয়া লিমেটেড এর একটি প্রতিষ্ঠান