আতশবাজি কিনতে গিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মোটরসাইকেল-ট্রাক ও দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। ঈদের পর দিন মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) সকালে ঢাকা পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত সাইমুন ইসলাম নিহত হয় এবং দুই মোটরসাইকেল মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত মাওলানা ইয়াকুব আলী (৩৫) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিহত হন।
নিহত সাইমুন ইসলামের বাড়ি পল্লীবেড়া গ্রামে, সে সৌদি প্রবাসী রিপন আহমেদের এক মাত্র ছেলে। সাইমুন কওমি মাদ্রাসায় ৩য় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। অপরদিকে নিহত যুবক ইয়াকুব আলীর বাড়ি আলগী ইউনিয়নের সুখনী গ্রামে এবং তিনি আলগী ইউনিয়ন ওলামা দলের সভাপতি ছিলেন।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) রাত ৯টা দিকে আতশবাজি কিনতে গিয়ে ভাঙ্গা-ঢাকা এক্সপ্রেসওয়ে ভাঙ্গা উপজেলার বগাইল এলাকায় মোটরসাইকেল ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে চালক নিহত হন। এ সময় আহত হয় সাইমুনসহ আরেক বন্ধু। গুরুতর আহত সাইমুনকে ঢাকা পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করে। গত ৮ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে মঙ্গলবার সকালে সাইমুন ঢাকা পপুলার হাসপাতালে আজ মঙ্গলবার ভোরে মারা যায়।
অপরদিকে, ঈদের দিন রাত অনুমানিক ১০টার দিকে আলগী ইউনিয়নের সুখনী ফিডার সড়কে দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে হোন্ডা ২ আরোহীর গুরুতর আহত হয়। আহতাবস্থায় দুই হুন্ডা আরোহীকে ভাঙ্গা হাসপাতালে, পরে ইয়াকুব আলীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। মঙ্গলবার সকালে চিকিৎসাধীন মাওলানা ইয়াকুব আলী মারা যান।
বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ