শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস, সংসদে বিলের কপি ছিঁড়ে যা বললেন ওয়াইসি অস্ত্র-ইয়াবাসহ বিএন‌পির ৫ নেতাকর্মী আটক ঢাকা থেকে মোটরসাইকেলে পঞ্চগড় ঘুরতে এসে প্রাণ গেল যুবকের খুলনায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার, আটক ৩ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে থাই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ইরানে মার্কিন হামলার হুমকি অগ্রহণযোগ্য: রাশিয়া ২০১৫ সালের ছবি মোদিকে উপহার দিলেন ড. ইউনূস জীবিকার তাগিদে ফিরছে মানুষ, ভোগান্তিহীন যাত্রায় স্বস্তি শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ মাদারীপুরে কুপিয়ে মৎসচাষির হাত বিচ্ছিন্ন টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত ব্যাংককে খলিল-ডোভাল আলাপচারিতা ১৫ জেলায় দাবদাহ শনিবার পর্যন্ত গরমের দাপট চলতে পারে চট্টগ্রামে জোড়া খুন নেপথ্যে আন্ডারওয়ার্ল্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ ট্রাম্পের শুল্ক বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার পোশাকশিল্পে বড় ধাক্কা: নিউইয়র্ক টাইমস ট্রেনের পাওয়ার কারে আগুন : সন্দেহের তালিকায় সিগারেট ও জেনারেটর চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা মারা গেছেন বরেণ্য অভিনেতা মনোজ কুমার প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করলো দ. কোরিয়া, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন রাত থেকে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি বন্ধ

ট্রেনের পাওয়ার কারে আগুন : সন্দেহের তালিকায় সিগারেট ও জেনারেটর

বাংলা৭১নিউজ ঢাকা:
  • আপলোড সময় শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের শ্রীপুরে ময়মনসিংহগামী মহুয়া কমিউটার ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ড ঘটে গতকাল ৩ এপ্রিল। এ ঘটনায় খুব বাজেভাবে ট্রেনের পাওয়ার কারটি পুড়ে যায়। তবে এটি কী কারণে ঘটল তা শনাক্ত করতে পারছেন না বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সকালে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ওয়াশপিটে রাখা পুড়ে যাওয়া পাওয়ার কারটি পরিদর্শনে আসেন তিনি।

পরে রেলওয়ের মহাপরিচালক বলেন, পাওয়ার কারে কী কারণে আগুন লেগেছে সেটা ধরা খুবই ডিফিকাল্ট। পাওয়ার কারটি যেভাবে পুড়ে গেছে আসলে কোনোভাবেই তা শনাক্ত করা যাচ্ছে না। এটার দুইটি সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে, জেনারেটর ওভারহিট হওয়া এবং অন্যটি হচ্ছে বাইরের কোনো মানুষ এসে সিগারেট খাওয়ার সময় আগুন ধরতে পারে। আমরা এখনও এটা নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না।

আফজাল হোসেন বলেন, আমরা পাওয়ার কারটি ঘুরে দেখলাম। পাওয়ার কারের ভেতর থাকা দুইটি জেনারেটরই পুড়ে গেছে। পাওয়ার কারের ভেতর যেগুলো দাহ্য পদার্থ ছিল সবগুলোই পুড়ে গেছে। শুধু লোহার ফ্রেমটুকু অবশিষ্ট আছে। আমাদের মনে হয়েছে এটি ঠিক করার সুযোগ আছে। এটাকে আমরা চট্টগ্রাম পাঠাবো।

এতে কী পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই ঘটনায় একটি চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির প্রধান রয়েছে ঢাকা বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে। তারা এটা নির্ধারণ করে জানাবেন।

এর আগে, গতকাল মহুয়া ট্রেনের পরিচালক শাহাদাত হোসেন বলেছিলেন, শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছার আগেই ট্রেনের জেনারেটর কোচে আগুন দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করেন যাত্রীরা। এরপর ট্রেন থামিয়ে যাত্রীদের নামতে সুযোগ করে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন। ততক্ষণে জেনারেটর কোচ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
২০১৫-২০২৫ © বাংলা৭১নিউজ.কম কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com