বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, সংসদ বিলুপ্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফা দাবিতে বিএনপির টানা ১৫ দিনের কর্মসূচি আজ থেকে শুরু।
কর্মসূচির শুরুর দিন মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা জেলার জিনজিরা, কেরানীগঞ্জ এবং গাজীপুরের টঙ্গীতে সমাবেশ করবে বিএনপি।
সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এটি সরকার পতনের এক দফার আন্দোলনের বিএনপির সপ্তম কর্মসূচি ঘোষণা।
আজকের কর্মসূচি ছাড়াও ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার ভৈরব- ব্রাহ্মণবাড়িয়া-হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেটে রোডমার্চ; ২২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় বাদ জুমা সারাদেশের জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। ২৩ সেপ্টেম্বর বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও পটুয়াখালীতে রোডমার্চ হবে।
২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগরের নয়াবাজার ও ঢাকা জেলা আমিন বাজারে সমাবেশ করবে বিএনপি। ২৬ সেপ্টেম্বর খুলনা বিভাগে রোড মার্চ এবং ঢাকায় পেশাজীবী কনভেশন হবে। ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর গাবতলী ও নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লায় জনসমাবেশ হবে। ২৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় মহিলা সমাবেশ হবে, ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় শ্রমজীবী কনভেনশন হবে।
১ অক্টোবর ময়মনসিংহ থেকে কিশোরগঞ্জ রোডমার্চ এবং ২ অক্টোবর ঢাকায় কৃষক সমাবেশ হবে। কর্মসূচির শেষ দিন ৩ অক্টোবর কুমিল্লা, ফেনী, মিরসরাই ও চট্টগ্রামে রোডমার্চ হবে।
এক দফার যুগপৎ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় সবশেষ গত ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকায় গণমিছিল করে বিএনপি। সরকারবিরোধী বিভিন্ন দল, জোট ও বিএনপির সমমনারাও নিজ নিজ অবস্থান থেকে এ কর্মসূচি পালন করে। সেটি ছিল সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের বিএনপির ষষ্ঠ কর্মসূচি।
এর আগে এক দফা আন্দোলনের পঞ্চম কর্মসূচি ছিল গত ২৫ আগস্ট। ওইদিন বিএনপি এবং সরকারবিরোধী বিভিন্ন দল, জোট ও বিএনপির সমমনারা ঢাকায় কালো পতাকা মিছিল কর্মসূচি পালন করে।
গত ১২ জুলাই নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ থেকে সরকার পতনের এক দফা আন্দোলনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। এরপর থেকে এক দফা দাবি আদায়ে রাজপথে ধারাবাহিক আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে দলটি। এসব কর্মসূচিতে সরকারবিরোধী জোটগুলোও সংহতি জানাচ্ছে।
বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ