মঙ্গলবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৫, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
‘পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা পুরো অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ’ বাংলাদেশ আর কোনো নতজানু পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাস করে না অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা জাস্টিন ট্রুডোর অগ্রাধিকারমূলক কাজের তালিকা দিলেন উপদেষ্টা মাহফুজ জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণে সহযোগিতা করবে সরকার এবার ভারতে দুই শিশুর শরীরে মিললো এইচএমপিভি চারদিনে রেমিট্যান্স এলো ২৭৬৫ কোটি টাকা বিদেশে বাংলাদেশ নিয়ে প্রচার করতে হবে বেপজাকে: প্রধান উপদেষ্টা মেক্সিকোতে পানশালায় বন্দুক হামলা, নিহত ৫ সাবেক এমপি মোস্তাফিজুর ও তার স্ত্রীর নামে দুর্নীতির ২ মামলা খ্যাতিমান অভিনেতা প্রবীর মিত্রের মৃত্যুতে তথ্য উপদেষ্টার শোক ঘরে ফিরেই জ্বলে উঠেছে সিলেট বৃহস্পতিবার থেকে ফের শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা ডিজিটাল কোর্ট করে দেননি কেন? পলককে বিচারকের প্রশ্ন কোন ডিবি সাধারণ পোশাক পরে আসামি গ্রেপ্তার করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ৮২তম গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস জিতলেন যারা গাজীপুরে আজও সড়ক অবরোধ করে শ্রমিকদের বিক্ষোভ রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের নির্বাচনে সুযোগ দেওয়া যেতে পারে টস জিতে সিলেটকে ব্যাটিংয়ে পাঠালো রংপুর

কালের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩শ’ বছরের ইন্দারা

বাংলা ৭১ নিউজ
  • আপলোড সময় বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  • ২৬৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলা৭১নিউজ, মাহবুব রহমান সুমন, ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কালের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০ বছরের পুরনো ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা গ্রামের মানিক মিয়ার ইন্দারা। আধুনিকতার যুগে ইন্দারার প্রয়োজনীয়তা না থাকলেও ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে টিকে আছে ৩০০বছরের পুরোনো ইন্দারাটি। মানিক মিয়ার বংশধর এর মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক উত্তরসুরী মো: আহাদ আলী (৮০) বলেন, মানিক মিয়ার বংশধরদের মধ্যে তাদের তিন ভাই (মফিজ উদ্দিন, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আহাদ আলী) এর বংশধরাই কেবল বেঁচে আছেন। তাদের তিন ভাইয়ের পিতা নৈমুদ্দিন সরকার, তার পিতা- ধনাই, তার পিতা- মনাই, তার পিতা-মানিক, তার পিতা- ঘাউয়া। পারিবারিক দলিল থেকে জানা যায় মনাই পেশায় জোরদার ছিলেন। মনাই’র পিতা- মানিক এলাকাবাসীর পনির কষ্ট নিবারনের জন্য ইন্দারাটি নির্মাণ করেন। একসময় গ্রামের সকলেই এই ইন্দারা থেকে পানি তুলে ব্যবহার করত।

বর্তমানে সংস্কারের অভাবে ইন্দারাটি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে গেছে। সন তারিখের উল্লেখ না থাকলেও ইন্দারাটির বয়স প্রায় তিনশ’/সাড়ে তিনশ’ বছর হতে পারে। এর নির্মাণ কৌশল অন্য ইন্দারার নির্মাণ কৌশল থেকে আলাদা এর গোলাকার মুখের মাঝে বাড়তি করে ফুলের নকশায় নির্মাণ করা। গোলাকার মুখে একটি ক্রংক্রিটের বেড় দেয়া। এই বেড়ের গায়ে পানি তোলার জন্য দড়ির ঘষার অনেরক দাগ দেখা যায়।

এই দাগগুলো নিয়ে লোক মুখে ছড়িয়ে আছে একটি কাহিনী। ন্যাংড়ি, (খোঁড়া) নামের এক মেয়ে  তার সৎ মায়ের আদেশে প্রতদিনি চার পাঁচ কলসী পানি তুলে কাঠের চাকা ওয়ালা গাড়ীতে করে টেনে নিয়ে যেত। ন্যাংড়ি পক্ষা ঘাতে হাটতে অক্ষম হলেও হামাগুড়ি দিয়ে চলতে পারতেন। ইন্দারার পাশে জঙ্গলে বাঘের ভয় ছিল। দাঁড়াতে পারতেন না বলে হাতের শক্তি দিয়ে অতি কষ্ঠে হাতের শক্তি দিয়ে পানির বালতী তাড়াতাড়ি টেনে তুলতে গিয়েই এই দাগ গুলোর সৃষ্টি হয়।

ন্যাংড়ি দেখতে সুন্দরী ছিলেন। পরে এলাকার এক হৃদয়বান মানুষ ন্যাংড়িকে বিয়ে তাকে কষ্টের হাত থেকে রক্ষা করে। ন্যাংড়িকে তিনি আর পানি তুলতে দেননি। নিজেই ইন্দারা থেকে পানি তুলে নিয়ে যেতেন।

সংস্কার করলে ইন্দারাটি থেকে এখনো পানি ব্যবহার করা সম্ভব। মানিক মিয়ার বর্তমান বংশধররা সমাজে প্রতিষ্ঠিত বৃত্তশালী। তাদের ও এলাকাবাসী এখন আর ইন্দারাটির পানি ব্যবহার করার প্রয়োজন হয় না। তবে প্রাচীন এই ইন্দারাটির স্মৃতি চিহৃ যেন মুছে না যায় সে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
২০১৫-২০২৪ © বাংলা৭১নিউজ.কম কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com