সোমবার, ০৮ জুলাই ২০২৪, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টে জবি শিক্ষার্থীদের অবরোধ চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কার নিয়ে আ স ম রবের পাঁচ দফা একযোগে র‌্যাবের চার ব্যাটালিয়নসহ পাঁচ পরিচালককে বদলি কোটাবিরোধী আন্দোলনে বিএনপির ইন্ধন নেই, সমর্থন আছে: ফখরুল চুপিসারে ফেরেশতাদের কথা শুনে যা করতো জিনেরা ইউপি চেয়ারম্যান হত্যার ঘটনায় মামলা, আওয়ামী লীগ নেতা আটক বেনজীরের গুলশানের ৪টি ফ্ল্যাট পরিদর্শনে দুদক টিম সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, যানচলাচল বন্ধ পাঁচ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে যা জানা গেলো ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে জড়ো হচ্ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত বন্ধু: রেলমন্ত্রী কোটা-শিক্ষক আন্দোলন নিয়ে বৈঠকে ৬ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী সিনিয়র সচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন শাহনাজ আরেফিন র‌্যাবের মুখপাত্র হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস দাবা বোর্ড বাজেয়াপ্তই কাল হয় কলেজশিক্ষার্থী জোবায়েরের মিরপুরে ব্যবসায়ীকে ‘ডিবি পুলিশ’ পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিধসে প্রাণ হারিয়েছে ১১ জন, নিখোঁজ ১৯ রথযাত্রায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি দুজন শঙ্কামুক্ত নন কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বিপদসীমার উপরে

১১০ টাকার খেজুরে শুল্ক ১৪০, এ কারণে তিনগুণ দাম বাড়ে

বাংলা৭১নিউজ,ঢাকা:
  • আপলোড সময় বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

উচ্চ ডিউটির (শুল্ক) কারণে খেজুরের দাম দুই থেকে তিনগুণ বেড়ে গেছে বলে দাবি করেছেন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম।

বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় এ দাবি করেন তিনি।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, খেজুর আমদানিতে উচ্চ ডিউটি না থাকলে অনেক কম দামে খেজুর বিক্রি করা যেত। এ কারণে প্রায় দুই থেকে তুন গুণ বেশি দাম বেড়ে গেছে। অথচ যারা ডিউটি নির্ধারণ করেন তাদের কোনো দায় হয় না। দায় হয় সরকারের অথবা ব্যবসায়ীদের।

তিনি আরও বলেন, ১১০ টাকা কেজি দরে খেজুর আমদানি করে শুল্ক দিতে হয় ১৪০ টাকা। বাজারে তা বিক্রি করতে হয় ২৫০ টাকায়। এ কারণেই খেজুরের দাম এত বেশি। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এই শুল্ক যুক্ত করা হয়েছে। অথচ ২০২২-২৩ অর্থবছর এক কেজি খেজুরে মাত্র ১০ টাকা শুল্ক দিয়েছি।

এ খেজুর ব্যবসায়ী বলেন, ৩৫ বছর ধরে খেজুর আমদানি করি, কখনো শুল্ক দিতে হয়নি। আমি এখন খেজুর আমদানি করলাম ৯০০-১০০০ মার্কিন ডলারে। চট্টগ্রাম কাস্টমস কনটেইনার খেজুরের জন্য ২৫০০ ডলার এবং হিমায়িত কনেটেইনারে খেজুরের জন্য ৪০০০ ডলার শুল্ক নির্ধারণ করেছে। এতে খেজুরের দাম প্রায় তিনগুণ বেড়ে গেছে।

বাংলাদেশ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাসান বলেন, রমজানে ব্রয়লার মুরগি, গরুর মাংস, মসলা ইত্যাদির দাম বাড়লে রেস্তোরাঁ মালিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

এ বিষয়ে এফবিসিসিআই উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আশ্বস্ত করেন এফবিসিসিআই সভাপতি মাহবুবুল আলম।

সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় উল্লেখ করে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, পাইকারি বাজার থেকে খুচরা পর্যায়ে পণ্যের মূল্যের ক্ষেত্রে যাতে অস্বাভাবিক পার্থক্য না হয় সেজন্য মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

এসময় বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারী ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মাহবুবুল আলম।

ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রমজান ইবাদতের মাস। আপনারা সারা বছর ব্যবসা করেন, রমজান মাসেও করবেন। পৃথিবীর অন্য দেশগুলোতে উৎসব উপলক্ষে ছাড় দেওয়া হয়। আমাদের দেশেও তেমন হতে হবে। কোনো ব্যবসায়ী পণ্যের বেশি দাম রাখবেন না। আপনারা রমজান মাসে ন্যায্য লাভ করেন। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সতর্ক আছেন। তাই এদিক সবাইকে সাবধান হতে হবে।

রমজানে বাজার মনিটরিং প্রসঙ্গে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমিও একমত। পুলিশ দিয়ে বাজার মনিটরিং করানো হোক, তা আমি চাই না। বাজার কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনিটরিং করলেই হয়।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য তদারকি না করলে ব্যবসায়ীদের সরকারিভাবে হয়রানির শিকার হতে হবে। এটা আমরা চাই না। কাজেই আমি প্রতিটি বাজার কমিটিতে অনুরোধ করবো, আপনারা তদারকি কার্যক্রম জোরদার করেন।

সমাপনী বক্তব্যে এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমিন হেলালী বলেন, অসাধু কোনো ব্যবসায়ীর পক্ষে এফবিসিসিআই নাই। তাদের বিরুদ্ধে সবসময় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি এফবিসিসিআই থেকেই এবার বাজার মনিটরিং করা হবে।

এর আগে সভায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজ নিজ অবস্থানের কথা তুলে ধরেন মিল মালিক, আড়তদার, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এবং মালিকরা।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যথেষ্ট মজুত আছে উল্লেখ করে ভোগ্যপণ্যের দাম না বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন পণ্যের উৎপাদক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।

এদিকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ উঠতে যাচ্ছে উল্লেখ করে পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা জানান, এর ফলে আসন্ন রমজানে বাজারে পেঁয়াজের সংকট হবে না।

বাংলা৭১নিউজ/এসএইচ

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
২০১৫-২০২৩ © বাংলা৭১নিউজ.কম কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com