বুধবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৫, ০৬:২৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রাবাড়ীতে বিপন্ন প্রজাতির হনুমান পাচারের সময় গ্রেপ্তার ২ ব্যারিস্টার আরমানের স্ত্রীকে হেনস্তা করিয়েছিলেন টিউলিপ: রিপোর্ট কামরুল-পলকসহ ৫ জন নতুন মামলায় গ্রেফতার বেনজীরের স্ত্রী ও মেয়ের আয়কর নথি জব্দের আদেশ ভৈরব থানার লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার অবশেষে মায়ের বুকে ছেলে পোষ্য কোটা বাতিলসহ ৯ দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের অনশন বাঘাবাড়ী নৌবন্দর নাব্য সংকট, ভিড়তে পারছে না জাহাজ নিয়োগ দুর্নীতি : ওয়াসার তাকসিমসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা নির্বাচন সংস্কারে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের ১১ প্রস্তাব লন্ডনে পৌঁছেছেন খালেদা জিয়া ট্রাম্পের মানচিত্রে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অঙ্গরাজ্য কানাডা ২০২৪ সালে সড়কে নিহত ৭ হাজারের বেশি : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন সিরিয়ার কুর্দি যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে অভিযানের হুমকি তুরস্কের টিসিবির নতুন চেয়ারম্যান ব্রি. জেনারেল ফয়সাল আজাদ একনেকে ৪ হাজার কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন ঢাকায় ছিনতাই বেড়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেন ডিএমপি কমিশনার বিডিআরের নিরপরাধ সদস্যদের মুক্তির দাবিতে পদযাত্রায় পুলিশের বাধা রায়েরবাজারে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার ফেলানীর পরিবারের দায়িত্ব নিলেন আসিফ মাহমুদ

হাকিমপুরের মাঠে মাঠে সবুজের হাসি

বাংলা ৭১ নিউজ
  • আপলোড সময় রবিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৮
  • ৩৪৮ বার পড়া হয়েছে
ফাইল ছবি

বাংলা৭১নিউজ, হিলি প্রতিনিধি:  চলতি মৌসুমে হাকিমপুর উপজেলার মাঠে মাঠে বোরো ক্ষেতের আগাছা পরিস্কারের ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। এ কাজে দেড়শ টাকা মুজুরি পাচ্ছেন কিষানিরা।

গত বন্যায় আমন ও অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এ উপজেলায় চাষিরা নতুন স্বপ্ন বুকে বেধে ইরি বোরো চাষ করছেন।

হাকিমপুরের ১ পৌরসভা ও ৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠ সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে চাষিরা ইতিমধ্যে তাদের জমির ক্ষেতে আগাছা পরিস্কার শুরু করেছে। এরপর তারা প্রয়োজনীয় সার ও কীটনাশক ব্যবহার শুরু করছে। দেখা গেছে প্রত্যেক জমিতেই মহিলা শ্রমিকরা কাজ করছে। পুরুষ শ্রমিকের সংখ্যা নজরে খুবই কম পড়ছে।

আলীহাট ইউনিয়নের বোরো চাষি আঃ রহমান জানান, ধান রোপন সহ আগাছা পরিস্কারের কাজে কিষানীরা খুবই পারদর্শী। তারা কাজে কোন ফাকি দেয় না। সকাল ৮টা থেকে বৈকাল ৩টা পর্যন্ত একটানা কাজ করে যায়। এ কারনে কিষানীদের কাজের কদরও বেশী।

হাতিশোর কৃষক সামছুল জানান, পুরুষ শ্রমিক তিনশত টাকা না দিয়ে মহিলা কিষানীদের ২শ টাকায় কাজ করিয়ে নেওয়া যায়।

এদিকে আঃ মান্নান বলেন, আমি পাঁচ একর জমিতে ইরি আবাদ করেছি। বীজ সংগ্রহ থেকে শুরু করে রোপন করা পর্যন্ত মহিলা শ্রমিক দিয়েই কাজ করেছি।

কৃষক মাহাবুর রহমান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে প্রতি বিঘায় হাইব্রিড ধান প্রায় ২৫ থেকে ৩০ মন ফলন হবে। সার কীটনাশক, সেচ ও শ্রমিকের খরচ বাদ দিয়েও মুনাফা ভালো হবে।

অন্য দিকে কিষানী প্রমীলা বালা, মিনতি রায়, রুবিনা পাহান বলেন সারাদিন কাজ করে মুজুরি পাই ২শত টাকা। কোন রকম দিন পার হচ্ছে।

বর্তমানে মোটা চালের কেজি ৩০ থেকে ৩৩ টাকা, তেল, লবন, আলু, মরিচ কিনতেই টাকা কুলায় না। খুব কষ্টে দিন যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, রোগ বালাই না থাকায় উপজেলায় ইরি বোরো ধান ভালো হয়েছে। আমাদের লোকজন সার্বক্ষনিক মনিটরিং করেছে। এবারের আবহাওয়া ভাল থাকলে গত বন্যার ক্ষয়-ক্ষতি কৃষকরা পুষিয়ে নিতে পারবেন।

বাংলা৭১নিউজ/জেএস

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরও সংবাদ
২০১৫-২০২৪ © বাংলা৭১নিউজ.কম কর্তৃক সকল অধিকার সংরক্ষিত।
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com